Friday , 20 September 2019
এই মাত্র পাওয়া
Home » রংপুর » গোবিন্দগঞ্জ -মহিমাগঞ্জ সড়কের বেহাল দশা|| যান চলাচলে চরম ভোগান্তি

গোবিন্দগঞ্জ -মহিমাগঞ্জ সড়কের বেহাল দশা|| যান চলাচলে চরম ভোগান্তি

এইচ আর হিরু, গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক গোবিন্দগঞ্জ-মহিমাগঞ্জ সড়ক। উপজেলার মহিমাগঞ্জ, শালমারা, কোচাশহর ও শিবপুর ইউনিয়নসহ পৌরসভার একাংশের প্রায় দুই লক্ষাধিক জনসাধারণের চলাচলের ভরসা এ সড়কটি।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জ সরকারি কলেজ ও শামীম এন্ড শাকিল কারিগরি কলেজ এবং গোবিন্দগঞ্জ পৌর কার্যালয়ে যাতায়াতে মাধ্যমও এ সড়কটি। এছাড়াও জেলার ভারী শিল্প রংপুর চিনিকল, মহিমাগঞ্জ রেল স্টেশন ও কোচাশহর হোশিয়ারী শিল্পের কাঁচামাল বহন প্রস্ততকারক দ্রব্য বহনে যোগাযোগ মাধ্যমের জন্যও এ সড়ক ব্যবহৃত হয়।
উপজেলা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ থানা মোড় চৌরাস্তা হতে মহিমাগঞ্জ সড়কের প্রায় চার কিলোমিটার পূর্ব পর্যন্ত রাস্তার পিচ কার্পেটিং উঠে গিয়ে অসংখ্য খাল খন্দের সৃষ্টি হয়েছে।এতে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ খাল খন্দের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এ রাস্তাটি চলাচলের অনুপোযোগী হলেও কর্তৃপক্ষের সংস্কারের কোনো উদ্যেগ লক্ষ করা যায়নি।ফলে বাধ্য হয়ে ঝুঁকিনিয়েই মহিমাগঞ্জ-বগুড়া রুটের বাস সহ সকল প্রকার যানচলাচল করছে।এতে হরহামেশাই দূর্ঘটনা ঘটছে এমন অভিযোগ এসড়কে চলাচলকারী জনসাধারণের।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান জানিয়েছেন এ রাস্তা দিয়ে আমাকেও দিনে দুবার যাতায়াত করতে হয়। এ সড়কটি জেলা পরিষদের একুয়ার করা সড়ক। এ সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবগত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার বলেন আমার পৌরবাসী এবং নিজেকেও পৌরসভার দাপ্তরিক কাজের জন্য এ সড়ক দিয়ে দিনে দু- তিনবার চলাচল করতে হয় এ সড়কটি জেলা পরিষদের আন্ডারে এসড়ক সংস্কারে পৌরসভার এখতিয়ার নেই তবে এ সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম জানান এ সড়কটির জমির মালিক জেলা পরিষদ হলেও সড়ক সংস্করের দায়িত্ব এলজিইডির। জেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় এ সড়কটি সংস্কারের ব্যাপারে গাইবান্ধার এলজিইডির প্রতিনিধিদের একাধিকবার আমরা তাগাদা দিয়েছি এবং আবারো তাগাদা দেব।

Leave a Reply