Tuesday , 20 August 2019
এই মাত্র পাওয়া
Home » রাজনীতি » আগামী বছর থেকে নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের ‘ধান কাটার মেশিন’ দিতে প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশ

আগামী বছর থেকে নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের ‘ধান কাটার মেশিন’ দিতে প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশ

অনলাইন ডেক্সঃ

ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকটের সমস্যা থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে আগামী বছর থেকে কৃষকদের কাছে নামমাত্র মূল্যে ধান কাটার মেশিন সরবরাহ করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
Home ১ম শীর্ষ
১ম শীর্ষআলোচিতফিচারবিশেষ প্রতিবেদনশীর্ষ খবর
আগামী বছর থেকে নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের ‘ধান কাটার মেশিন’ দিতে প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশ
By দেশরিভিউ ডেস্ক – মে ৩১, ২০১৯1364
আগামী বছর থেকে নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের ‘ধান কাটার মেশিন’ দিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। সূত্র: কৃষিমন্ত্রী
।।দেশরিভিউ, বিশেষ প্রতিনিধি।।
ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকটের সমস্যা থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে আগামী বছর থেকে কৃষকদের কাছে নামমাত্র মূল্যে ধান কাটার মেশিন সরবরাহ করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাতে একাত্তর টিভির ‘একাত্তর জার্নাল’ অনুষ্ঠানের ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে এসব কথা জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
ধান কাটার শ্রমিক সংকটের কারণ হিসেবে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বাংলাদেশে এখন সেবা ও শিল্পখাতে উন্নয়ন হচ্ছে, তাই কৃষি শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এজন্য ধান কাটার পেছনে খরচ অনেক বেশি।’
১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রফতানির ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমাদের এবারের (২০১৯) বোরো ফলন ভালো হয়েছে। গত একবছর থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। ২০১৮ সালের বোরোও ভালো হয়েছিল। আমনও ভালো হয়েছে। প্রচুর চাল আছে। আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে পারবো। দেশ ও জাতির মর্যাদাও বাড়বে।’ দেশে উৎপাদিত পর্যাপ্ত চাল মজুদ আছে বলেও জানান এসময় তিনি।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সরকার কোনও চাল আমদানি করে নাই। ভারতে চালের দাম কম। ব্যবসায়ীরা লাভবান হওয়ার জন্য সেখান থেকে আমদানি করে। ২০১৭ সালে সরকার শুল্ক জিরোতে নামিয়ে এনেছিল। গত বছরই তা শূন্য থেকে ২৮ শতাংশে উন্নীত করে সরকার। এখন ৫৬ ভাগ শুল্ক করছি আমরা। আশা করছি এতো শুল্ক দিয়ে ব্যবসায়ীরা আর চাল আমদানি করবে না।’

Leave a Reply