Wednesday , 26 June 2019
এই মাত্র পাওয়া
Home » অর্থনীতি » বর্ষালী ধান চাষাবাদে গাইবান্ধায় ব্যাপক সাড়া

বর্ষালী ধান চাষাবাদে গাইবান্ধায় ব্যাপক সাড়া

এইচ.আর.হিরু.গাইবান্ধাঃ
আমনে ভাইরাস, ইরিতে চিতা ভরসা তাই বর্ষালী নিয়ে। গাইবান্ধার আউশ (বর্ষালী) ধান রোপণে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। ইরি বোরো ধান কাটার পর ওই জমিতে ত্রি-ফসলী হিসেবে আউশ ধান চাষাবাদে ঝুঁকে পড়ছে কৃষকরা।
বোনাস ফসল পাওয়ার আশায় জেলার কয়েকটি ইউনিয়নে আউশ ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে কিষাণ কিষাণীরা। জেলার সর্বত্ত্বই ইতোমধ্যে ইরি বোরো ধান কাটা মারাই শেষ পর্যায় এসে পৌছেছে। এরই ফাঁকে কৃষকরা আউশ ধান রোপন শুরু করেছে।
অনেক কৃষক জমিতে সেচের মাধ্যমে আউশ চাষাবাদ করছে। কয়েক বছর আগেও জেলায় আউশ ধানের চাষাবাদ তেমন ছিল না। দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলছে।
আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এর ফলনও ভাল পাওয়া যায়। অল্প জমিতে অধিক ফলনের আশায় কৃষকরা এখন আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে জমিতে একাধিক ফসল চাষাবাদ করছে।
প্রতাত গ্রামের কৃষক সাজু মিয়া জানান.তিনি চার বিঘা জমিতে আউশ বর্ষালী ধান লাগিয়েছেন। তিনি বলেন, কোনো প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে বিঘা প্রতি ১৮ থেকে ২০ মন ধান পাওয়া যায়। গত বছর তিনি দুই বিঘা জমিতে ৩৪ মন ধান পেয়েছিলন। তিনি আরও বলেন, আউশ ধানে সার ও বালাই নাশক কম প্রয়োগ করতে হয়। ঘন বৃষ্টির ফলে সেচও লাগে কম। কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে.চলতি মৌসুমে জেলায় ১০৪৫০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। দিন দিন এর পরিমাণ বেড়েই চলছে।
সাধারণত ব্রি- ৪৩, ব্রি- ৪৮ ও ব্রি- ৫৫ নেরিকা জাতের ধান আউশ মৌসুমে বেশি চাষাবাদ করা হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলায় আউশ বর্ষালী ধানের চাষাবাদ প্রতি বছর বেড়েই চলছে। অল্প খরচে বোনাস ফসল হিসেবে ইরি বোরো ধান কাটার পর এ আউশ বর্ষালী ধান রোপন করা হয়। প্রায় ১০০ হতে ১১০ দিনের মধ্যে এর ফলন পাওয়া যায়। তিনি বলেন আমন মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই আউশ ধান কেটে ঘরে তোলা যায়।

Leave a Reply