Friday , 19 July 2019
এই মাত্র পাওয়া
Home » অপরাধ » গাইবান্ধায় শিক্ষক কর্তৃক ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানী

গাইবান্ধায় শিক্ষক কর্তৃক ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানী

এইচ আর হিরু. গাইবান্ধাঃ

গাইবান্ধার সদরে বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ কাজল ঢোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ২৫ এপ্রিল দুপুর দুপুরে একজন প্রক্সি শিক্ষক চান্দু মিয়া কর্তৃক পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটার অভিযোগ উঠেছে।

তারই প্রতিবাদে শনিবার ২৬ অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে তালা ঝুঁলিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধ করেন।
অভিভাবক এবং স্থানীয়দের অভিযোগ স্কুলের প্রধান শিক্ষক সোহেল কিছুদিন আগে চান্দু মিয়া নামের এক ব্যক্তি কে পঞ্চম শ্রেণির ১৩ জন শিক্ষার্থী কে জন প্রতি ২০০ টাকা করে নিয়ে কোচিং করানোর ব্যবস্থা করে দেয়। এরপর থেকে কোচিং ক্লাস করানোর সময় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে চান্দু মেয়েদের শরীরের গোপন স্থানে হাত দিত। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্প্রতিবার ২৬ এপ্রিল দুপুরে স্কুলে কোচিং করানোর সময় এক ছাত্রীকে পড়া দেখানোর কথা বলে কাছে ডেকে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দিলে মেয়েটি দৌড়ে ক্লাস থেকে বেরিয়ে বিষয়টি পরিবারের কাছে জানায়।
পড়ে বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানানোর পড়ে তিনি কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় শনিবার ২৭ এপ্রিল সকালে স্থানীয় অভিভাবকরা স্কুলের শ্রেণি কক্ষে এবং শিক্ষক দের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে স্কুলের শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকরা তাৎক্ষনিক স্কুলের বারান্দায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে প্রধান শিক্ষক সোহেল কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গাইবান্ধা সদর থানার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলেনুর বেগম গত রাতে মুঠোফোনে জানান, আমি প্রধান শিক্ষক আটক বা ঘটনার কিছুই জানিনা তবে প্রক্সি শিক্ষক সেখানে কি নিয়মে এলো তা খতিয়ে দেখে পরে বিষয়টি জানাতে পারবো।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মজিবর রহমান রাতে জানান আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম এবং ঘটনার সত্যতাও পেয়েছি। তবে প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে তিনি জানান, তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার বলেন, আমি অভিযোগটি পেয়েছি এবং মেয়ের বাবাকে বারবার জিজ্ঞাসা করেছি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তার কোন অভিযোগ আছে কি না কিন্তু তারা তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেন নি। রোববার সকাল পর্যন্ত এলাকাবাসির মাঝে চাপা ক্ষোভ দেখা গেছে।

Leave a Reply