Friday , 20 September 2019
এই মাত্র পাওয়া
Home » বরিশাল » মালিক সমিতির দ্বন্দ্ব, যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে

মালিক সমিতির দ্বন্দ্ব, যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে

বরিশাল :

বরিশাল রূপাতলী ও ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতির মধ্যে রুট হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্বে বন্ধ রয়েছে বাস চলাচল। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
গত সোমবার থেকে ঝালকাঠির রায়পুর থেকে বরিশাল নগরীর রূপাতলী বাস স্টেশন পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার পথে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে ঝালকাঠি মালিক সমিতি এবং এখনো তা অব্যাহত রয়েছে।
এতে করে বরিশাল থেকে ঝালকাঠি, পিরোজপুর বরগুনার পাথরঘাটাসহ খুলনার বাস যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। পাশাপাশি তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।
পিরোজপুর মঠবাড়ীয়ার যাত্রী আকলিমা বেগম বলেন, এক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। বরিশাল থেকে কোনো গাড়ি ঝালকাঠি বা ভাণ্ডরিয়া যাবে না। এখন আমাদের রায়পুর হয়ে ভাণ্ডারিয়া যেতে হবে।
আনিসা ইসলাম নাইমা নামে এক কলেজছাত্রী বলেন,  বরিশাল আর ঝালকাঠির বাস মালিকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে কিছু দিন পরপর গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আমাদের মতো সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। এর দ্রুত সমাধান হওয়া উচিত। আজ  সকালে বাসে মঠবাড়ীয়া থেকে বরিশালের বাসে উঠলাম। কিন্তু ঝালকাঠি প্রান্তের রায়াপুর আসার পর বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হলো। এখন পাঁচ কিলোমিটার পথ যেতে বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।
ঝালকাঠি মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি থেকে বরিশালের দিকে দুই কিলোমিটার রাস্তা ব্যবহার করে যাত্রীবাহী বাসগুলো। যার কারণে বরিশাল থেকে ঝালকাঠির ওপর দিয়ে ৪৬টি বাসের ট্রিপ চলে।
অন্যদিকে বরিশাল থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সড়ক পথে ঝালকাঠির ওপর দিয়ে আট কিলোমিটার রাস্তা ব্যবহার করছে বরিশাল বাস মালিক সমিতি। অথচ এই রুটে ঝালকাঠি মালিক সমিতির কোনো বাস নেই। এই হিসাবের কারণে ঝালকাঠি মালিক সমিতি আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতির আবির পরিবহনের মালিক ছত্তার হাওলাদার জানান, বরিশাল বাস মালিক সমিতি আমাদের আটটি রুটের হিসাব নিচ্ছে। অথচ বরিশাল-পটুয়াখালী রুটের দপদপিয়া থেকে বুড়িরহাট পর্যন্ত ঝালকাঠির আট কিলোমিটার সড়ক পথের কোনো হিসাব আমাদের দিচ্ছে না। এ কারণে আমাদের আন্দোলন চলছে। যদি আমাদের হিসাব তারা বুঝিয়ে দেয়, তাহলে আমরা আন্দোলন তুলে নেব।
বরিশাল রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন জানান, দুই বাস সমিতির দ্বন্দ্ব নিরসনে আজ বিকেল ৩টায় বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বৈঠকে সমস্যার সমাধান না হলে আমরাও আন্দোলন করব।

Leave a Reply